ইসলামী শরীয়াহ্র উৎস হিসেবে আল-কুরআনের পরই আল-হাদীসের স্থান। আল-হাদীস একদিকে যেমন আল-কুরআনের ব্যাখ্য, অন্যদিকে রাসূলে করীম সাঃ এর জীবনের বাস্তব চিত্র। সেই সম্পর্কে আরও ভালো ভাবে জানতে আর রাহীকুল মাখতুম  বইটি পড়ে দেখতে পারেন।

  হাদীস গন্থসমূহের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হচ্ছে বুখারী শরীফ। হিজরী তৃতীয় শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে এই হাদীস গ্রন্থটি সংকলন করেন ইমাম বুখারী নামে খ্যাত হযরত আবূ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল বুখারী রহ.।

কেন শিষ্টাচার এর বই পড়া দরকার?

হাদীস সংগ্রহ ও সংকলনের ব্যাপরে ইমাম বুখারী (রহ.) এর নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং সতর্কতা সুবিদিত। সহীহ্ হাদীস সংগ্রহ ও সংরক্ষনের উদ্দেশ্যে তিনি বহু দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েছেন। অমানুষিক কষ্ট স্বীকার করে তিনি সনদসহ প্রায় ৬ লক্ষ হাদীস সংগ্রহ করেন। এবং দীর্ঘ্য ১৬ বছর রাসূলুল্লাহ সাঃ এর রওযা আকদাসের পাশে বসে প্রতিটি হাদীস গ্রহণের আগে মোরাকাবার মাধ্যমে রাসূল সাঃ এর সম্মতি লাভ করতেন।

ইমাম বুখারী রহ. সংকলিত সহীহ আল-বুখারীর পর তাঁর যে কিতাবটি সুসরিম সমাজে সমধিক পরিচিত ও সমাদৃত তা হচ্ছে ‘আল-আদাবুল মুফরাদ’। এটি মূলত শিষ্টাচার সংক্রান্ত হাদীসের সংকলন। ইসলামী সমাজে মু’আমিলা তথা পারস্পারিক সম্পর্কের উপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের মূলে মুসলমানদের এই গ্রন্থটিই কার্যকর ভুমিকা পাল করেছে। আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছেঃ

“হে মু’মিনগণ! তোমরা যা কর না তা তোমরা কেন বল? তোমরা যা কর না তোমাদের তা বলা আল্লাহর দৃষ্টিতে অতিশয় অসন্তোষজনক।” - সুরা সাফ্ফঃ২-৩

আজও যারা ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত তাঁদের শিষ্টাচারে উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাঁদের ব্যবহার, আচার-আচরণ, নৈতিকতা ইত্যাদি দেখেই মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হবে। যে নসীহত প্রদান করা হয় এবং সে অনুযায়ী প্রথমেই তা অর্জনের শিক্ষা দেওয়া হয়। বইটি পড়ে আশা করা যায় আমরা সঠিক শিষ্টাচারের শিক্ষা পেতে পারি।

আল আদাবূল মুফরাদ ( অনন্য শিষ্টাচার) পিডিএফ বই ডাউনলোড

মূল লেখকঃ ইমাম বুখারী (রহ)
অনুবাদঃ মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন সাইদ জালালাবাদী
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৮৪ইং
সর্বশেষ প্রকাশঃ ২০০৮ইং
বইয়ের ধরণঃ হাদীস বিষয়ক আদব-কায়দা
সাইজঃ ১৮.৪ MB
প্রকাশকঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now