5
(2)

ফাইভার গিগ র‌্যাংকিং টিপস এবং ইম্প্রেশন বাড়ানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রিক্স । ফাইভারে অনেকেই কাজ করেন বা করতে চাচ্ছেন, যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তারা সবার জন্য সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হলো ফাইভার।

আর এখন পর্যন্ত যতগুলো জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস আছে তার মধ্যে ফাইভার ই একমাত্র ফ্রি মার্কেটপ্লেস যেখানে বিড বা বায়ার রিকোয়েস্ট এর জন্য ডলার খরচ কিংবা কোন প্রিমিয়াম ম্যম্বারশিপ নিতে হয়না। আর ফাইভারে যারা কাজ করেন তাদের সবার স্বপ্ন থাকে গিগ র্যাংকিং এ নিয়ে আশা। ফাইভারে যাদের গিগ ফাস্ট পেইজে ছিলো এরাই একমাত্র ফাইভারের মজা বুঝবে এবং যারা একবার এই মজা পেয়েছে তারা সারাজীবন এই স্বাধ নেওয়ার চেষ্টা করে।
তাই ফাইভার গিগ র্যাংক করানো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফাইভারের জন্য। আজকে কিছু বিষয় শেয়ার করবো আপনাদের সাথে যেগুলো আপনাদের গিগ র্যাংকিং এ সহায়তা করবে, এইগুলো আমার ব্যাক্তিগত মতামত অনেকের সাথে যদি না মিলে তাহলে এড়িয়ে যাবেন।
আপনাকে যদি আমি বলি একটি গিগ তৈরি করতে আপনি কতটুকু সময় দেন? আপনার উত্তর হয়তো আসবে ১ দিন, আমি বলবো আপনি ভুল করতেছেন। আপনাকে কমপক্ষে ৪-৫ দিন সময় নিয়ে একটি গিগ তৈরি করা উচিত। কারণ একদিনের বা ১-২ ঘন্টার পরিশ্রমের তৈরি করা গিগ খুব ভালো আউটপুট আসবে বলে আমার মনে হয়।
আপনারা হয়তো একটি গিগ তৈরি করেন কিন্তু একটি গিগ কে আমরা মনে করে একটি বড় বিজনেস এই গিগ একদিন আমাকে প্রতি মাসে লাখ টাকা এনে দিতে পারে, আপনি যতটুকু বেশি সময় নিয়ে গবেষণা করে গিগ তৈরি করবেন ঠিক ততটুকুই আপনার আউটপুট আসবে।

তাহলে কিভাবে ফাইভার গিগ তৈরি করবো?

আসুন তাহলে জেনে নেই স্টেপ বাই স্টেপ কিভাবে আকর্ষণীয় ফাইভার গিগ তৈরি করবেন।

ফাইবার গিগ তৈরি করতে কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়ঃ

  • কম্পিটিটর এনালাইসিস
  • গিগের জন্য আকর্ষণীয় ইউনিক এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল
  • ইউনিক ডেস্ক্রিপশন
  • গিগের প্যাকেজ
  • গিগের ট্যাগ
  • গিগের জন্য ছবি ( থাম্বনেইল)
  • গিগের জন্য ভিডিও
  • FAQ
এখন আমি আপনাদেরকে বলি কিভাবে এইসব বিষয় গুলো যত্নসহকারে তৈরি করবেন।
[jnews_hero_9 hero_margin=”2″ hero_style=”jeg_hero_style_5″ content_type=”post” post_offset=”2″ include_category=”40″ sort_by=”random”]

ফাইভার গিগ কম্পিটিটর এনালাইসিসঃ

একটি ফাইভার গিগ তৈরির আগে কম্পিটিটর এনালাইসিস করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথমে আপনাকে মার্কেট ডিমান্ড বুঝতে হবে, জানতে হবে আপনি যে সার্ভিস দিতে চাচ্ছেন সেই সার্ভিসে প্রথম পেইজে যারা আছে তারা কি কি বিষয় তাদের ফাইভার গিগে ম্যানশন করেছে , তারা কিভাবে টাইটেল তৈরি করেছে। ফাইভারের টপ পেইজে তারা আছে তার মানে অবশ্যই তারা এমন কিছু করেছে যার জন্য ফাইভার তাদের কে প্রথম পেইজের যোগ্য মনে করেছে এবং প্রথম পেইজে যায়গা দিয়েছে।
প্রথম পেইজে যারা আছে একটি একটি করে প্রত্যেকটি গিগ সময় নিয়ে দেখবেন তাদের টাইটেল লিখার স্টাইল, ডেস্ক্রিপশন ,গিগের প্যাকেজ, গিগের ট্যাগ সব কিছু পুংখানুপুংখভাবে দেখবেন। দেখে সেখান থেকে ভালো আইডিয়া নিয়ে নিজের গিগের জন্য ইউনিক কনচেপ্ট তৈরি করবেন। যখন কম্পিটিটর রিসার্চ করবেন তখন খাতা কলম অথবা গুগল অনলাইন ডক্স ফাইল নিয়ে বসবেন।
প্রথম পেইজের সবগুলো গিগ দেখে অবশ্যই দু একটি গিগ আপনার কাছে একটু ভিন্ন মনে হবে, তাদের যে বিষয়গুলো ভিন্ন মনে হবে সেগুলো নোট করে রাখবেন।
এখন কথা হলো নতুন অনেকেই জানেন না কীভাবে কম্পিটিটর রিসার্চ করতে হয়! কম্পিটিটর রিসার্চ করার জন্য ফাইভারে সার্চবারে আপনার সার্ভিসের কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করবেন, যদি ফাইভারে আপনার সার্ভিস হয় Keyword research তাহলে সার্চবারে Keyword research লিখে সার্চ করবেন৷ সার্চ করার জন্য আপনাকে Switch to buying এ ক্লিক করতে হবে।

ফাইভার গিগ টাইটেলঃ

ফাইভারে একটি  গিগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল, এখানে এসইও ফ্রেন্ডলি বলার কারণ হলো গিগের টাইটেল সার্চ ফ্রেন্ডলি করে  যদি তৈরি করতে না পারি তাহলে ফাইভার সার্চ রেজাল্ট এ উপরে আসার সম্ভাবনা কম। এর জন্য আপনাকে গিগ তৈরির আগে ভালো করে আপনার কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে। আপনার সার্ভিসের কিওয়ার্ডটি টাইটেল এর প্রথম দিকে রাখুন। যেমন আপনার সার্ভিস যদি হয় কিওয়ার্ড রিসার্চ তাহলে ফাইভার গিগের টাইটেল হতে পারেঃ
I will do Keyword research and competitor analysis to boost Ranking
দেখেন, টাইটেলে অবশ্যই কিছু আকর্ষণীয় শব্দ ব্যবহার করবেন যার জন্য আপনার টাইটেল ক্লিকেবল হবে।
অনেকেই গিগের টাইটেল হুবহু কপি করে মেরে দেন এটা একেবারেই করা যাবেনা।

 ইউনিক ডেস্ক্রিপশনঃ

একটি গিগের ডেস্ক্রিপশন গিগ র্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তাই গিগের ডেস্ক্রিপশন হতে এসইও ফ্রেন্ডলি এবং আকর্ষণীয়। কিভাবে লিখবেন একটি আকর্ষণীয় ডেস্ক্রিপশন? গিগের ডেস্ক্রিপশন লিখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড এর ভালো ব্যবহার করতে হবে।
যেমন আপনি যে সার্ভিস দিবেন সেই সার্ভিসের মেইন কিওয়ার্ড গিগের প্রথম পেরাতে রাখুন। এবং গিগ লিখার জন্য আরও কিছু সাপুর্টিভ কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। যেহেতু ফাইভের একটি কিওয়ার্ড তিনবারের উপরে আপনাকে লিখতে দিবেনা এবং এর বেশি একটি কিওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত ও না। তাই সাপোর্টিভ কিওয়ার্ড ফাইভার গিগ র্যাংকিং এ ভালো সহায়তা করবে।

কিভাবে সাপোর্টিভ কিওয়ার্ড খুজে বাহির করবেনঃ

প্রথম আপনার সার্ভিসের কিওয়ার্ড লিখে ফাইভার সার্চবারে সার্চ করুন, দেখুন নিছে আরও কিছু কিওয়ার্ড সাজেস্ট করতেছে, যেমনঃ আপনি যদি Keyword research লিখে সার্চ করেন তাহলে নিছে হয়তো Competitor analysis, Website Ranking, Keyword research and competitor analysis, এরকম কিছু কিওয়ার্ড সাজেস্ট করবে। এবং সেই কিওয়ার্ড গুলো নোট করুন।
তারপরে আপনি যখন টপ পেইজের গিগগুলো দেখবেন তখন তাদের ট্যাগ এ কিছু কিওয়ার্ড পাবেন সেগুলো নোট করুন। এবার আপনার সার্ভিসের সাথে মিলে এমন সব কিওয়ার্ড গুলো দিয়ে ডেস্ক্রিপশন লিখার চেষ্টা করুন।
আর গিগের ডেস্ক্রিপশন কোন ভাবেই কপি করা যাবেনা, প্রয়োজন হলে আপনারা কোন বন্ধু যদি ভালো ইংরেজি লিখতে পারে তাহলে তাকে দিয়ে লিখাবেন অবশ্যই ফ্রিতে লিখাবেন না।  অথবা মার্কেটপ্লেস থেকে কন্টেন্ট রাইটার হায়ার করতে পারেন যদি এইটা জামেলার মনে হয় তাহলে এসইও এর অনেক বড় বড় কমিউনিটি বাংলাদেশে আছে সেগুলোতে পোস্ট করেও ভালো কন্টেন্ট রাইটার কে হায়ার করতে পারেন।
আর গিগে অবশ্যই ক্লিয়ার রাখবেন আপনি কি কি বিষয় প্রভাইড করবেন এবং এর জন্য ক্লায়েন্ট কে কি রিকোয়ারমেন্ট প্রভাইড করতে হবে। এতে অর্ডার ক্যন্সেলেশন থেকে বাচার সম্ভাবনা থাকবে।

গিগের প্যাকেজঃ

গিগ র্যাংকিং এর এবং সহজেই কাজ পাওয়ার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, গিগের প্যাকেজ অপ্টিমাইজ করা। আমরা যেইটা করি আরও ০৮-১০ টা গিগ যেমন তাদের প্যাকেজ লিখে ঠিক একইভাবে আমরা হুবহু প্যাকেজ লিখে ফেলি, এতে কাজ পাওয়ার পসিবিলিটি কমে যায়। তাই চেষ্টা করুন যতটুকু পসিবল প্যাকেজ ইউনিক এবং এট্রাক্টিভ রাখার। ক্লায়েন্ট অনেক সময় সম্পুর্ন গিগের ডেস্ক্রিপশন না পড়ে শুধু প্যাকেজ দেখেই অর্ডার করে। অল্প কথা গুছিয়ে নিজের প্যাকেজটি এক্সপ্লেইন করার চেষ্টা করবেন।

গিগের ট্যাগঃ

গিগের ট্যাগ ভালো অপ্টিমাইজ করতে পারলে কিন্তু সার্চ রিজাল্টে উপরে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিন্তু কি ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা উচিত? ফাইভার কিন্তু ইরিলেভেন্ট ট্যাগ রাখেনা, আপনি খেয়াল করে দেখবেন ০৫ টি ট্যাগ দিলে অনেক সময় দু একটা বাদ দিয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে সঠিক ট্যাগ সিলেক্ট করাটা গুরুত্বপূর্ণ।
ট্যাগ সিলেক্ট করতে আপনি ফাইভারের সার্চবার ব্যবহার করতে পারেন এবং ১০-২০ জন কম্পিটিটর দের ট্যাগ দেখে সেখান সবগুলো কপি করে আপনি ডক্সে রাখুন সেখান থেকে কেবল মাত্র আপনার সার্ভিসের সাথে হুবহু মিলে যায় সেইসব কিওয়ার্ড আলাদা করুন। তার পরে দেখুন সবচেয়ে কমন কিওয়ার্ড কি কি আছে যেগুলো কম্পিটিটররা বেশি ব্যবহার করতেছে। সেখান থেকে ফিল্টারিং করে আপনার পছন্দের ০৫ টি ট্যাগ নির্বাচন করুন।

গিগের ছবি (থাম্বনেইল)

আমি বলবো একটি গিগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গিগের ছবি। গিগের ছবি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে ক্লিক এবং কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই গিগের ছবি যতটুকু পারা যায় আইকেচি করে তৈরি করুন। যদি নিজে ভালো মানের ডিজাইন তৈরি করতে না পারেন তাহলে অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নিবেন।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে থাম্বনেইল এর কিওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশন, এইটা আপনার গিগের সেল বহুগুণ বাড়িয়ে দিবে। এর জন্য সার্ভিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন কিছু ক্লিকেবল ওয়ার্ড ব্যবহার করুন। যেইটা দেখে বায়ার আপনার গিগে ক্লিক করতে বাধ্য হবে।

গিগ থাম্বনেইল মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে অপ্টিমাইজ করাঃ

আমরা অনেকেই থাম্বনেইল তৈরি করি, কিন্তু এটি ভালো করে ল্যাপটপ এ দেখা গেলেও মোবাইল ডিভাইসে দেখা যায় না। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি বেশিরভাগ বায়ার অর্ডার করার সময় মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে। তাই যখন থাম্বনেইল তৈরি করবেন দেখে নিবেন থাম্বনেইল এর লিখা যেনো স্পষ্ট মোবাইল ডিভাইসে দেখা যায়।
অনেক সময় দেখবেন অনেক ক্লায়েন্ট লাঞ্চ ব্রেকে এসে কাজ দিয়ে যায়, ঠিক সেই মুহুর্তে কিন্তু সম্পুর্ন গিগ পড়ার মতো সময় ক্লায়েন্ট এর হাতে থাকেনা। সার্চ করে থাম্বনেইল পড়ে যেইটি ভালো লাগে সেটি অর্ডার করে ফেলে।

থাম্বনেইল ফাইল অপ্টিমাইজ করাঃ

থাম্বনেইল আপলোড করার আগে এটি অপ্টিমাইজড করে নিবেন। অর্থাৎ আপনার গিগের টাইটেল ছবির ফাইল নেইম দিয়ে দিবেন। প্রয়োজন হলে শুধু মেইন কিওয়ার্ড রাখতে পারেন ফাইল নেইমে।

গিগের ভিডিওঃ

ফাইভার নিজেও বলে একটি গিগে ভিডিও ৭০% সেল ইনক্রেইস করতে সহায়তা করে। তাই যদি সম্ভব হয় নিজের গিগে ভিডিও দিন। ভিডিও তে সুন্দর করে এক্সপ্লেইন করুন আপনি কি কি সার্ভিস দিবেন এবং এখান থেকে কি ক বেনিফিট পাবে, এর জন্য কি কি রিকোয়ারমেন্ট প্রয়োজন।
শুধু যে ফেইস ক্যাম দিয়ে নিজে ক্যমেরার সামনে এসে ভিডিও তৈরি করতে হবে এমনটা না, আপনি চাইলে ফিলমোরা, ক্যমটাশিয়া বা এডবি প্রিমিয়ার প্রো অথবা আফটার এফেক্ট দিয়ে দুর্দান্ত ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। যদি নিজে তৈরি করতে না পারেন তাহলে কারো সাহায্য নিন অথবা কাউকে হায়ার করুন।

ভিডিও ফাইল অপ্টিমাইজঃ

ভিডিও আপলোড করার আগে এটি অপ্টিমাইজড করে নিবেন। অর্থাৎ আপনার ফাইভার গিগ এর টাইটেল ভিডিও এর ফাইল নেইম দিয়ে দিবেন। প্রয়োজন হলে শুধু মেইন কিওয়ার্ড রাখতে পারেন ফাইল নেইমে।

Frequently Asked Question (FAQ):

Frequently Ask Question: এটি গিগের একটি র্যাংকিং ফ্যাক্টর ও বটে। তাই গিগের সাথে সম্পকৃত যত প্রশ্ন থাকতে পারে সেগুলো FAQ এ ব্যবহার করুন।
যেমনঃ
What I will received in Basic package??

Answer : 

Will you have to provide the access?

Answer :

What's the benefit of your service?

Answer :

will you provide me the PDF file?

Answer :
এরকম যত প্রশ্ন একজন ক্লায়েন্ট এর থাকতে পারে সেগুলো আপনি FAQ এ এড করে নিবেন। এটি ক্লায়েন্ট এর অনেক প্রশ্ন দূর করতে সহায়তা করবে এবং র্যাংকিং এ ও সহায়তা করবে। আপনি যখন গিগ ডেসক্রিপশন লিখবেন তখন সবার নিছে FAQ অপশনটি পাবেন।
আপনার ছোট ভাই-বোন যদি কম্পিউটার শিখতে চায় এবং আপনি যদি তাদের সময় না দিতে পারেন, তাহলে তাদেরকে আমার এই কম্পিউটার শিক্ষা সিরিজের নতুনদের জন্য কম্পিউটার শিক্ষা ব্লগটি ধরিয়ে দিন।  এবং আমার ইউটিউবের  Learn Computer Basic in Bangla with – alamin5G  কোর্সটি দেখতে বলুন।

এই ছিলো ফাইভার গিগ র্যাংক করানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস। আরও কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স নিচে তুলে ধরলামঃ

  • নিয়মিত এক্টিভ থাকা, এর উপরে ইম্প্রেশন বা গিগ র্যাংকিং ইম্প্রভ এর বড় কোন ট্রিক্স হতে পারেনা। তাই যতটুকু সম্ভব হয় এক্টিভ থাকুন।
  • ফাইভারের নিজস্য ফোরামে এক্টিভ থাকবেন। ফাইভারের ফোরামে এক্টিভ থাকলে সেখান থেকে আপনি ভালো কিছু ইইনফরমেশন পাবেন আপডেট জিনিসগুলো জানতে পারবেন। এবং এটি ফাইভারের এক্টভিটর ভিতরে পরে তাই দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ফাইভার ফোরামে এক্টিভ থাকুন।
  • বায়ার রিকোয়েস্ট দিবেন, এতে করে সম্ভাবনা আছে বায়ার আপনার গিগ ভিজিট করার, তাহলে ক্লিক এবং ইম্প্রেশন দুইটাই বাড়বে।
  • আরও একটি উপায় হলো সোশিয়াল শেয়ার যদিও এইটা থেকে খুব বেশি বেনিফিটেড হবেন না তবে গিগের পারফরম্যান্স কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। যদি নিজের সোশিয়াল মিডিয়াতে টার্গেটেড ক্লায়েন্ট নিয়ে আসতে পারেন তখন গিগ সোশিয়াল মিডিয়া শেয়ারে কাজ পাওয়ার পসিবিলিটি থাকে। নিজের কাজের এক্টিভিটি সোশিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।
  • এর জন্য টুইটার ইন্সট্রাগ্রাম এবং কোওরা পিন্টারেস্ট এ নিজের কাজের এক্টিভিটি শেয়ারের পাশাপাশি গিগ শেয়ার দিতে পারেন।
  • অবশ্যই সেটি নিজের প্রোফাইলে শেয়ার করবেন। কোন সেলিব্রিটি এর কমেন্টে কিংবা কোন পেইজের কমেন্টে না।
  • প্রথম কাজ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যেতে হবে, এবং প্রথম কাজে বেস্ট এফোর্ট দিতে হবে, যদি ক্লায়েন্ট ৫* দেয় তাহলে গিগের ইম্প্রেশন খুব বেশি এবং দ্রুত বাড়বে।
  • গিগে যত বেশি অর্ডার কিউ (Queue) থাকবে ততবেশি গিগ উপরের দিকে র্যাংক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই কাজ শেশ হয়ে গেলে ক্লায়েন্ট কে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল দিয়ে অপেক্ষা করুন। অর্ডার ডেলিভারি টাইমের শেষের দিকে কাজ জমা দিতে পারেন। এবং গিগের প্যকেজ এর সময় একটু বাড়িয়ে রাখতে পারেন।
আজকে এই পর্যন্ত পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ ফাইভার নিয়ে আরও কিছু অসাধারণ আইডিয়া শেয়ার করবো। সবাই বেশি বেশি করে শেয়ার দিবেন তাহলে নতুনরা এই বিষয় গুলো নিয়ে ভালো করে স্টাডি করতে পারবে।

বইটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান রেটিং দিন?

Click on star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 2

No votes so far! Be the first to rate this book.

As you found this post is useful...

Follow us on social media!

We are sorry that this book was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve our site?