রৌদ্রময়ী pdf বই ডাউনলোড। সদ্য কৈশোরত্তীর্ণ রোহান (মূল নাম রায়হান) আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থুতনির নীচে ওঠা একগাছি পাতলা দাড়ির আভাস পেয়ে ভীষণ পুলকিত বোধ করছে। যাক অবশেষে বুঝি তাহার দেখা পাইলাম। সমবয়সী সব বন্ধুদের দাড়ি-গোঁফ অনেক আগেই উঠে গেছে। আলভি তো এ মধ্যে তিন তিনবার শেইভ ও নাকি করে ফেলেছে।

সেদিন জিসান বলল যে আড়ালে আবডালে মেয়েরা নাকি তাকে হাফ লেডিস বলে ডাকে (গায়ের রং টুকটুকে ফর্সা, জিরো ফিগার আর মাখনের মত ক্লিন চিক দেখে এই নামকরণ করা হয়েছে)। রোহান সেদিন বাসায় এসে অনেক কেঁদেছিল। েএত বেশি কেঁদেছিল যে পরদিন দুই চোখ ফুলে সুপারির মত গোল গোল অদ্ভূত টাইপের হয়ে গিয়েছিল।

মা তো রোহানের চোখ দেখে দিশেহারা হয়ে গেলেন। তারপর বরফের টুকরো কাপড়ে বেধে চোখে সেঁকে দিতে দিতে বললেন “কিরে, রাতভর কেঁদেছিস কেন?”।

রোহান সত্যটা চেপে গিয়ে বলেছিল, “মা, নানীর কথা খুব মনে পড়ছিল। কতদিন দেখি না!”

তীর একেবারে মোক্ষম জায়গায় গিয়ে লেগেছিল। িএরপর শুরু হয়েছিল মায়ের কান্না দিবস। রাঁধতে-বাড়তে, কাজ করতে করতে চিকন সুরে কেঁদেই চলেছেন। রোহান আহত চোখ মেলে বিরক্তি ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে মার কর্মকাণ্ড দেখছিল। যাক সে কথা।

রৌদ্রময়ী রিলেটেড আরও বই দেখুনঃ 

নিজেকে অন্যভাবে আবিষ্কার করতে পেরে বেশ ভাল লাগছে আজ। রোহান নিজের পাতলা গোফ আর দাড়ি নিয়ে বীরচিত্তে স্কুলে গেল। বন্ধুরা তাহার এহেন ট্রান্সফর্ম দেখে যারপরণাই মন খারাপ। কারণ এতোদিন যেভাবে খুশি সেভাবে পঁচানো গিয়েছিলো, এখন তো আর সেই পথ খোলা রইলো না।

বন্ধুরা গোপনে দীর্ঘ শ্বাস ফেলতে লাগলো।

ক্লাসের একটা মেয়ের প্রতি রোহানের নেক নজর অনেক আগেই পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু নিজের বাচ্চা বাচ্চা চেহারাটার জন্য কখনোই প্রপোজ করার সাহস করতে পারেনি। এখন নতুন করে মনের মরা গাঙ্গে আবারো ইশ্কের জোয়ার বইতে শুরু করেছে।

সমস্যা হলো, আগে মেয়েটা কথা বলতো দুই একবার। তার আনাড়ি জোকস শুনে হেসেও ছিল। কিন্তু এখন তআর তেমন কথাও বলে না, কেমন যেন এড়িয়ে চলছে। যাক সেসব কথা।

নিচে রৌদ্রময়ী pdf বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ 

রৌদ্রময়ী pdf বই ডাউনলোড

প্রকাশকঃ     
বইয়ের ধরণঃ শিক্ষনীয়  বই 
বইয়ের সাইজঃ  1.66 MB 
প্রকাশ সালঃ  
বইয়ের লেখকঃ  
অনুবাদঃ  
ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

Join Our Facebook Group

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। শেয়ার করুন সওয়াবের আশায়, কারণ আপনি ভালো কাজে এবং ভালো উদ্দেশ্যে শেয়ার করছেন। আর প্রত্যেক ভালো কাজের বিনিময় আল্লাহ আপনাকে দিবেন।